নিউইয়র্কে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

নিউ ইয়র্কের কুইন্সে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ বছর বয়সি বাংলাদেশি অভিবাসী উইন রোজারিও। স্থানীয় সময় বুধবার তিনি নিহত হন।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওজোন পার্কে রোজারিও পরিবারের সঙ্গে যে অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করতেন সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর সেখানকার বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, ৯১১ নম্বরে কল করে এক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ব্যক্তির কথা জানানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরে, পুলিশ কর্মকর্তারা ছুরি হাতে উইনকে দেখতে পান। পুলিশ প্রথমে টেজার দিয়ে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু তার মা অপ্রত্যাশিতভাবে এর মধ্যে এসে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে প্রাণঘাতী গুলি চালানো হয়।

তবে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের ভাই উৎস রোজারিও পুলিশের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, কর্মকর্তারা যখন গুলি চালান, তখন তাদের মা উইনকে ধরে রেখেছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অপ্রয়োজনীয় ছিল।

তিনি আরও বলেন, দুজন সশস্ত্র কর্মকর্তাকে দেখেও উইন মারাত্মক হুমকিস্বরূপ কোনো পরিস্থিতি তৈরি করেনি।

উৎস ও উইনের বাবা ফ্রান্সিস রোজারিও জানান, তার পরিবার ১০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে এসেছিল এবং উইনের স্বপ্ন ছিল মার্কিন সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া। তবে পরিবারের গ্রিন কার্ড পেতে বিলম্বের কারণে তার পরিকল্পনা আটকে যায়, যা গত বছর অনুমোদিত হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুঃখজনক ঘটনা দিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের সময় পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেছে। সমালোচকেরা বলছেন, বর্তমান পদ্ধতির যথেষ্ট সংবেদনশীলতার অভাব রয়েছে এবং পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে যাচ্ছে।

কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডোনোভান রিচার্ডস মানসিক স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় সমাজের পদ্ধতিগত পরিবর্তনে আহ্বান জানান তিনি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে চান জো বাইডেন

নূর নিউজ

‘মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে টানাপোড়েন হলে কূটনৈতিক উপায়ে ফয়সালা করব’

নূর নিউজ

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিপক্ষে সই, কতটা কার্যকর বাইডেনের এক্সিকিউটিভ অর্ডার?

নূর নিউজ