কওমী মাদরাসা ধর্ম, দেশ ও জাতির কল্যাণে এক সুমহান দুর্গ: মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া

উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম ইসলামী বিদ্যাপীঠ হলো দারুল উলূম দেওবন্দ। এটা শুধু উপমহাদেশেই নয় সারা বিশ্বে স্বীকৃত সত্য। দেওবন্দী ধারার কওমী মাদরাসাগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র নয়—বরং এটি এই উপমহাদেশসহ সারা পৃথিবীতে তাওহীদ ও সুন্নাহ, নৈতিকতা ও সামাজিকতা, স্বদেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শ প্রচারে এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত—কওমী উলামারা সবসময় জাতির সংকটে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে গেছেন। আজও কওমী মাদরাসাগুলো সমাজে ধার্মিকতা, নৈতিকতা, সত্যবাদিতা ও আত্মসংযমের শিক্ষা দিয়ে মানবিক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি ও ঢাকা গাউসিয়া মার্কেট জামে মসজিদের খতীব মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া।

বুধবার (১৫ অক্টোবর ২০২৫ ঈ.) বাদ মাগরিব। মাগুরা জেলার তালখড়ি কওমিয়া মাদরাসার উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে তিনি উক্ত কথাগুলি বলেন।

তিনি আরো বলেন, সময়ে সময়ে বাতিল পন্থীরা কওমী মাদরাসা নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও প্রোপাগান্ডা চালায়। কেউ কেউ কওমী মাদরাসা সম্পর্কে বিভিন্ন অবমাননাকর ও ভিত্তিহীন বক্তব্য ছড়ায়। আমরা তাদের এই অমূলক ভিত্তিহীন বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এই ধরনের মন্তব্য দেশের ইসলামপ্রিয় তাওহীদি জনতার অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা রক্ষায় নিবেদিত একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাব্যবস্থাকে অসম্মান করে। আমরা তাদের এই ধরনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে কওমী শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবমূল্যায়ন বা অপমানজনক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমরা দেশের গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাই—সামনে থেকে এ ধরনের বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্য বন্ধের কার্যকরী পদক্ষেপ যেন নেওয়া হয়।

মাগুরা কুশাবাড়িয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা এমদাদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে উক্ত মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা নাসির উদ্দিন গোপালগঞ্জ, মাওলানা আব্দুল হালিম মাগুরা প্রমুখ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

নামাজি ব্যক্তির সামনে চলাচলের বিধান

নূর নিউজ

বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় প্রাচীন মসজিদের শহর বাগেরহাট

নূর নিউজ

জানালা নেই, তবু আলোকিত আস-সালাম মসজিদ

নূর নিউজ