পটিয়ায় শূরার নামে যে বৈঠক হয়েছে তা অবৈধ ও অসাংবিধানিক: আল্লামা সুলতান যওক নদভী 

চট্টগ্রামের পটিয়া আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় সম্প্রতি শূরার নামে যে বৈঠক করা হয়েছে সেটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে আখ্যায়িত করেছেন মাদ্রাসার প্রধান মুরুব্বি আল্লামা সুলতান যওক নদভী। ওই বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলোও অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা সুলতান যওক নদভী এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাত্রে কতিপয় সিনিয়র শিক্ষকের উসকানি ও আশ্রয় প্রশ্রয়ে একদল সশস্ত্র বহিরাগত সন্ত্রাসী জামেয়ায় যে তাণ্ডব চালিয়েছে, মুহতামিম মাওলানা ওবাইদুল্লাহ হামজাকে অমানবিক পন্থায় হেনস্থা করে তাদের লিখিত তথাকথিত ইস্তফানামায় জোরপূর্বক দস্তখত নিয়ে রাতের অন্ধকারে জামেয়া থেকে বের করে দিয়েছে, তা ইতোমধ্যে আপনারা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন। এরপর ২৯ অক্টোবর শূরার নামে যে বৈঠক করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক। ওই বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে সেগুলোও সর্বোতভাবে অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য।

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইত্তেহাদের সংবিধান অনুযায়ী শূরার স্থায়ী সভাপতি তথা ইত্তেহাদের সভাপতির অনুমোদনক্রমে শূরা ডাকার একমাত্র অধিকার রয়েছে মুহতামিমের। বিগত মুহতামিম বোখারী সাহেব (রহ.) এর আমলে গঠিত সর্বশেষ শূরা কমিটিতে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও হাটহাজারীর কারো নাম নেই বিধায় তাদেরকে শূরার সদস্য আখ্যায়িত করা যায় না। তাছাড়া তিনজন ছাড়া ওই বৈঠকে শূরার অন্য কোনো সদস্য উপস্থিত হননি।

এছাড়া সন্ত্রাসীবেষ্ঠিত অবৈধ বৈঠকে ওবাইদুল্লাহ হামযার কথিত ইস্তফানামা গ্রহণ ও পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ গঠন দুটোই অবৈধ।

 

উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, পটিয়া মাদ্রাসায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও শিক্ষকমণ্ডলীর সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। কারো সাথে বৈরিতা যেমন নেই, তেমনি কারো প্রতি বিশেষ আকর্ষণও নেই। তবে সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে মাওলানা ওবাইদুল্লাহ হামযার প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে এবং যে ক্ষতি সাধন করা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে এর বিচার হওয়া জরুরি। অনুরূপ উসকানিদাতা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া ও মাওলানা ওবাইদুল্লাহ হামযার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগমালার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করাও জরুরি; যাতে কিছুটা হলেও মাদরাসার দুর্নাম ঘুছে যায়। এই লক্ষ্যে অচিরেই শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ!

এ জাতীয় আরো সংবাদ

‌‌‘রাষ্ট্রীয়ভাবে কুরআন-সুন্নাহর আইন বাস্তবায়নে যুব সমাজের জাগরণ অপরিহার্য’

আনসারুল হক

আবার বিয়ে করছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন

আনসারুল হক

হাসি মুখেই ঢাকা ছাড়ছেন খামারি-ব্যাপারীরা

আনসারুল হক